রাজনীতিতে এরা কারা ?

ইমু চৌধুরী : আজ বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে গেলাম। গিয়ে মোটামোটি প্রাণ ভরে গেল। কারণ লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি। পা ফেলবার জায়গা নেই। ব্যপারটা খুশির যে দেশে দিন দিন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বেড়েই চলছে। ব্যপারটা কি আসলেই তাই?

হঠাৎ চিন্তিত হয়ে গেলাম। মনে পড়ে গেল ৭৫ এর সেই কালো দিনের ঘটনা। যেদিন বঙ্গবন্ধু তাঁর দেশপ্রেমের শেষ উদাহরন তাঁর জীবন দিয়ে দিয়েছিলেন। তখন আমার জন্ম হয়নি। লোকমুখে ও বিভিন্ন বই পড়ে জেনেছি তৎকালীন ঘটনা। দেশে কৃত্রিম খাদ্য সংকট ঘটিয়ে ৭৪ এ দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছিল। ব্যাংক ডাকাতি করে দেশে অর্থনীতিকে পঙ্গু করা হয়েছিল। তখন দলের ভিতরকার নেতারাও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। এর উদাহরণ খন্দকার মোশতাক। সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী তারাও ষড়যন্ত্রের ছক এঁকেছিল। দেশের একটি সংগঠন দেশের সাধারণ মানুষের ভিতর গিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেছিল। এই সব ষড়যন্ত্রের একই উদ্দেশ্য ছিল। তা হল বঙ্গবন্ধু কে হত্যা। দেশি-বিদেশী ষড়যন্ত্রের সবশেষ ফলাফল ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে সফলতা আর্জন।

বর্তমান যুগ মিডিয়া নির্ভর। সব কিছুর সাথে সাথে ষড়যন্ত্রের প্যাটার্নটাও মনে হয় বদলে গেছে। সেই ধারণা থেকেই আজকের কথাগুলি-৫ই জানুয়ারী ২০১৪- অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের দশম জাতীয় নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তথাকথিত ইস্যুতে বিএনপি বর্জন করল। সংখ্যাগরিষ্টতা নিয়ে সংসদীয় ক্ষমতায় বসল আওয়ামীলীগ। জননেত্রী তাঁর ভিশন ৪১ ঘোষণা দিয়ে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় টানা অবরোধের নামে জ্বালাও পোড়াও শুরু হল। জনগণ যখন এগুলো মেনে নিল না তখন শুরু হল গুপ্ত হত্যা। রাজাকারদের যখন ফাঁসী দেয়া হচ্ছে ঠিক তখন আবার জঙ্গিবাদের উত্থান। সবকিছুই জননেত্রী তাঁর স্বীয় গুনাবলি দিয়ে যখন প্রতিরোধ করছে তখন তাদের ভিন্ন পথও মনে হয় রয়েছে।

যদি লক্ষ্য করি সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীরা আওয়ামীলীগ এ যোগ দিচ্ছে। দিন দিন আওয়ামীলীগার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা দলের জন্য কতটা ভালো তা আমার মত নগন্য লোকের ধারণার উর্ধে। তবে একটু গভীর ভাবে যদি দেখি, দেখতে পাই আওয়ামীলীগ নেতা চাঁদা নিচ্ছে, টেন্ডার না পেয়ে মাথা ফাটাচ্ছে, দলের এক নেতা অন্য নেতাকে সহ্য করছে না। এই ঘটনাগুলির প্রত্যেকটা কারণ আমার চেয়ে আপনারাই হয়ত ভালো জানেন। আমার মনে হয় এর প্রধান কারণ অনুপ্রবেশককারীরা। যারা নব্য, দলে ঢুকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য দলের ভাবমূর্তি বিসর্জন দিতে কুন্ঠিত নয়।

যাই হোক আজকে দেখলাম প্রায় ৫০০০ উর্ধ্ব ব্যনার। যার অনেক সংগঠন নতুন মনে হল। দেখলাম আর ভাবলাম যে আওয়ামীলীগ মনে হয় এখন নেতা তৈরির বিশাল কারখানা। যেখানে ওমুক লীগ- তমুক লীগ, ঢুকবেন পিয়ন হইয়া বাইর হইবেন বিশাল নেতা হইয়া (যদিও নেতাটা স্বঘোষিত)।

আসলে আমাদের মত যারা ক্ষুদ্র কর্মী সারাদিন চিল্লায়া গলা ফাটাইলেও লাভ নাই কারণ নেত্রীর কাছে আমরা যেতে পারব না। নেত্রীর কাছের যারা আছেন তারা কি দেখছেন না এই অনিয়ম। অবশ্য তারাই তো এই সংগঠনগুলোর চিফ গেস্ট।

আমার ভয় হয় আজকের এই এত এত লীগ দেখে। কারণ ৭৫ এর সেই দোসররা এখনও বেঁচে আছে। খন্দকার মোশতাকরাও কখনও মরে না। তারা শুধু ভিন্ন রূপে ভিন্ন নামে যুগের পর যুগ বেঁচে থাকে। এখনই সময় ঘুড়ে দাঁড়ানোর।
.
(ইমু চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেওয়া। তিনি মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ডের প্রচার সম্পাদক এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা )

     
 
2017-09-18-14-10-42বাবুগঞ্জ (বরিশাল),বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ তাদের গর্ভধারিণী মা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে তিনি এতোটাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন যে দিনের এক বেলা ভাতও জুটছে না তার ভাগ্যে। বলছি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের (৭০)  জীবন সংগ্রামের কথা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইয়ুব আলী কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ৬ সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই...বিস্তারিত
2017-09-01-08-32-29নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে বানভাসি মানুষ। রাজধানীসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন তারা। ঈদের আগে যে সময়টাতে রাজধানী ফাঁকা হতে থাকে। সেই সময়ে এখন অভাবী মানুষের দলে দলে আগমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারী-পুরুষ, শিশু এবং কিছু মানুষকে সপরিবারে ঢাকায় আসতে দেখা যাচ্ছে। তারা রিকশা চালনা থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মের কাজের সন্ধানে এসেছেন বলে জানান।রংপুর কাউনিয়া থেকে ১১ দিন আগে ঢাকায় আসা আয়নাল মিয়া বলেন, ‘ত্রাণের চাউল কয়দিন খামো বাহে, হামাক কাম করা নাগবার নয়। শহরত...বিস্তারিত
2017-08-27-07-31-33নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: থামেনি, প্রশাসনে উল্টো বেড়েছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। অন্যদিকে অনেকে যোগ্য হওয়ার পরও পাচ্ছেন না পদোন্নতি। প্রশাসনে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির পরও নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে।চলতি মাসেই শুধু সচিব পর্যায়ে দুজন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এভাবে সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তারা অবসরের পরও চাকরিতে ফিরছেন। এতে প্রশাসনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৫৯ বছর। আর মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০...বিস্তারিত
2017-07-07-06-33-12নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: রাজশাহী মহানগরসহ উপজেলাগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ছয় মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। গত বছর বছরের প্রথম ছয় মাসে যার সংখ্যা ছিল ১৫০ জন। রাজশাহীর গোলি থেকে রাজপথে থামানো যাচ্ছে না সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণহানিকর ঘটনাগুলো। প্রতি দিন জেলার কোথাও না কোথাও ঘটে যাচ্ছে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনা। যার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করছেন বহু মানুষ। এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে...বিস্তারিত
2017-06-19-22-25-49নিউজ ডেস্ক, বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : পাগল বলে সাধারণ মানুষ তাদের এড়িয়ে চলে। আসলে তারা পাগল নয়। পাগল সেজে এরা সামাল দেয় মাদকের ব্যবসা। এই পাগল নিয়মিত মেকআপও নেয়। নিয়ম করে নোংরা থাকার কৌশল শেখে। তারা রাজধানীর রাস্তায় বিভিন্ন পয়েন্টে বসে থেকে মাদকের খুচরা ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। জানিয়ে দেয় পুলিশের অবস্থান। সারাদিন এদের দেখা না মিললেও সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এদের উপস্থিতি থাকে ফুটপাতজুড়ে। মহাখালী থেকে ফেনসিডিল আর গাঁজা আসবে শ্যামলী। মহাখালী ব্রিজের নিচে একজন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...বিস্তারিত
এই পাতার আরো খবর -