কাজের খোঁজে শহরে বানভাসি মানুষ

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে বানভাসি মানুষ। রাজধানীসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন তারা। ঈদের আগে যে সময়টাতে রাজধানী ফাঁকা হতে থাকে। সেই সময়ে এখন অভাবী মানুষের দলে দলে আগমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারী-পুরুষ, শিশু এবং কিছু মানুষকে সপরিবারে ঢাকায় আসতে দেখা যাচ্ছে। তারা রিকশা চালনা থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মের কাজের সন্ধানে এসেছেন বলে জানান।

রংপুর কাউনিয়া থেকে ১১ দিন আগে ঢাকায় আসা আয়নাল মিয়া বলেন, ‘ত্রাণের চাউল কয়দিন খামো বাহে, হামাক কাম করা নাগবার নয়। শহরত এস্কা চলাইয়া কামাই করমো, কিন্তু গেরামত কি করমো, হামাক কেউ কামত নিবার নয়। তামান গেরামত অভাব।’

‘কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী থানা থেকে আসা সামিউল আলম বলেন, ‘হামার গেরামত জমিতে ফলস সউগ নষ্ট হয়া গেইছে; মাঠে কোন কাম নাই। হামার উতি কলকারখানা নেই, বানভাসি মানুষ কতদ্দিন বসি থাকবে, তাই হামরা বাপ-বেটা আইজ ৯ দিন হয় ঢাকাত আসছি। মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজারে কর্মসংস্থানের আশায় কিছু শ্রমিক বসে থাকে। সেখানেই কথা হয় সামিউল ও আয়নালের সঙ্গে। একই জায়গায় কথা হয় হবিবর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, গেরামে ২৬ দিন ধরি বসি থাকার পর ঢাকাত আসচি, কামে আশায়। তিনি বলেন, হামি সবেক কাম পারি, যে কাজত মাইনষে লাগায়, সেই কামই করি দিতে পারি। কাম বুঝি মজুরি নেই। সামনে ঈদ, ছোয়ালদের মুখে একটু মাংস তুলে দিবার জন্যে গেরাম ছাড়ি শহরত আসচি।

রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা— সাভার, গাবতলী, শ্যামলী, রিংরোড, শিয়া মসজিদের ঢালে, মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজারে শ্রমবাজারগুলোতে ঢু মারলেই সহজে দেখা মেলে এসব অভাবী মানুষের। যারা সবাই বাসভাসি মানুষ। অভাবের তাড়নায় শহরে এসেছেন কাজে। শুধু শ্রম বাজারগুলোতে নয়; এমন হরহামেশা বাসাবাড়িতে কাজের জন্যেও নারী ও শিশুদের দেখা মিলছে সহজে।

ওসনা বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী ৬ বছর আগে স্বামীর সংসার থেকে বিতাড়িত হয়ে এলেও অভাবী বাবা-মায়ের সংসারে খাওয়া পরা চলছিল। এখন তাকে ঢাকায় পাঠিয়েছে গৃহকর্মের কাজে।

বাসাবাড়িতে কাজ করতে আসা মরিয়ম বুয়া বলেন, আমাদের গেরামে যারা কোরবানি দিত; তারা এবার কোরবানি দিতে পারবে না তাই ঢাকা আসছি, ঢাকায় চেয়ে-চিন্তেও জীবন বাঁচানো যায়; কিন্তু গেরামে বইন্যার কারণে সবার অবস্থা খারাপ। এ কারণেই শহরে আসা বলে জানান তিনি।

এসব অভাবী মানুষ ঈদের দিন সকালে-রাতে কিংবা ঈদের পরের দিন ঢাকা শহর থেকে গ্রামে পাড়ি জমাবেন। বড় বড় শহরে আসার উদ্দেশ্য তাদের একটাই কোরবানির মাংস নিয়ে গ্রামে ফিরে যাওয়া। এরপর আবারো হয়তো আসবে কর্মসংস্থানের আশায় বলে জানান তারা।

এসব বাসভাসি মানুষের এখন একটাই চাওয়া কর্মসংস্থান হওয়া ও ঈদে পরিবার পরিজনদের নিয়ে একটু মাংস দিয়ে পেটপুরে খাওয়া।

     
 
2017-09-18-14-10-42বাবুগঞ্জ (বরিশাল),বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ তাদের গর্ভধারিণী মা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে তিনি এতোটাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন যে দিনের এক বেলা ভাতও জুটছে না তার ভাগ্যে। বলছি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের (৭০)  জীবন সংগ্রামের কথা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইয়ুব আলী কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ৬ সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই...বিস্তারিত
2017-09-01-08-32-29নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে বানভাসি মানুষ। রাজধানীসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন তারা। ঈদের আগে যে সময়টাতে রাজধানী ফাঁকা হতে থাকে। সেই সময়ে এখন অভাবী মানুষের দলে দলে আগমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারী-পুরুষ, শিশু এবং কিছু মানুষকে সপরিবারে ঢাকায় আসতে দেখা যাচ্ছে। তারা রিকশা চালনা থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মের কাজের সন্ধানে এসেছেন বলে জানান।রংপুর কাউনিয়া থেকে ১১ দিন আগে ঢাকায় আসা আয়নাল মিয়া বলেন, ‘ত্রাণের চাউল কয়দিন খামো বাহে, হামাক কাম করা নাগবার নয়। শহরত...বিস্তারিত
2017-08-27-07-31-33নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: থামেনি, প্রশাসনে উল্টো বেড়েছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। অন্যদিকে অনেকে যোগ্য হওয়ার পরও পাচ্ছেন না পদোন্নতি। প্রশাসনে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির পরও নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে।চলতি মাসেই শুধু সচিব পর্যায়ে দুজন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এভাবে সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তারা অবসরের পরও চাকরিতে ফিরছেন। এতে প্রশাসনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৫৯ বছর। আর মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০...বিস্তারিত
2017-07-07-06-33-12নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: রাজশাহী মহানগরসহ উপজেলাগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ছয় মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। গত বছর বছরের প্রথম ছয় মাসে যার সংখ্যা ছিল ১৫০ জন। রাজশাহীর গোলি থেকে রাজপথে থামানো যাচ্ছে না সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণহানিকর ঘটনাগুলো। প্রতি দিন জেলার কোথাও না কোথাও ঘটে যাচ্ছে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনা। যার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করছেন বহু মানুষ। এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে...বিস্তারিত
2017-06-19-22-25-49নিউজ ডেস্ক, বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : পাগল বলে সাধারণ মানুষ তাদের এড়িয়ে চলে। আসলে তারা পাগল নয়। পাগল সেজে এরা সামাল দেয় মাদকের ব্যবসা। এই পাগল নিয়মিত মেকআপও নেয়। নিয়ম করে নোংরা থাকার কৌশল শেখে। তারা রাজধানীর রাস্তায় বিভিন্ন পয়েন্টে বসে থেকে মাদকের খুচরা ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। জানিয়ে দেয় পুলিশের অবস্থান। সারাদিন এদের দেখা না মিললেও সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এদের উপস্থিতি থাকে ফুটপাতজুড়ে। মহাখালী থেকে ফেনসিডিল আর গাঁজা আসবে শ্যামলী। মহাখালী ব্রিজের নিচে একজন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...বিস্তারিত
এই পাতার আরো খবর -